ছাঁটাই, সঠিকভাবে — বাংলাদেশ, the right way.
কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিন, আর টুলটি আপনার অগ্রগতির সাথে সাথে প্রমাণপত্র তৈরি করবে — ক্ষতিপূরণের হিসাব, নোটিশ ও সঠিক প্রক্রিয়ার রেকর্ড। ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ হলো প্রতি বৎসরে ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি।
বাংলাদেশ — শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ২০: প্রতি বৎসর ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি (যেটি বেশি), ১ মাসের নোটিশ প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে অনুলিপিসহ, শ্রেণিভিত্তিক LIFO নির্বাচন। পূর্বানুমোদন লাগে না; বিরোধ শ্রম আদালতে।
The exact numbers and rules that apply — worked out for your situation and jurisdiction.
The letters, records and decision — drafted for your situation, ready to send. Not a checklist.
Save your plan, tick off each step with dates and evidence — proof you ran a proper process.
AI is reshaping who works — we track it daily
ছাঁটাই, সঠিকভাবে — বাংলাদেশের নিয়োগকর্তাদের জন্য
বাংলাদেশে ছাঁটাই হলো উদ্বৃত্ত জনবলের কারণে চাকরির স্থায়ী অবসান, যা শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ২০ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এটি কোনো শাস্তি নয় — পদটির প্রয়োজন ফুরিয়েছে, ব্যক্তির নয়। এই বিনামূল্যের এআই টুলকিট আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতির জন্য একটি বৈধ ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় পথ দেখায় এবং প্রমাণপত্র তৈরি করে।
ছাঁটাই প্রক্রিয়া, ধাপে ধাপে
- ব্যবসায়িক কারণ — উদ্বৃত্ত জনবলের প্রকৃত কারণ (পুনর্গঠন, মন্দা, কোনো কার্যক্রম বন্ধ) লিপিবদ্ধ করুন; ছাঁটাই পদের বিষয়, ব্যক্তির নয়।
- পরিধি যাচাই (২০+ শ্রমিক) — ধারা ২০ প্রযোজ্য হয় ২০ বা তার বেশি শ্রমিক নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে।
- নির্বাচন — শেষে নিযুক্ত, প্রথমে ছাঁটাই (LIFO) — প্রতিটি শ্রেণিতে সর্বশেষ নিযুক্ত শ্রমিককে প্রথমে ছাঁটাই করুন (ধারা ২০(৪)), যদি না ভিন্নতার বৈধ কারণ লিপিবদ্ধ থাকে।
- নোটিশ — ১ মাসের লিখিত নোটিশ (অথবা তার বদলে এক মাসের মজুরি) দিন, প্রধান পরিদর্শক ও যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে (সিবিএ) অনুলিপিসহ। লে-অফের পরে ছাঁটাই হলে অতিরিক্ত ১৫ দিন প্রযোজ্য (ধারা ১৬(৭))।
- ক্ষতিপূরণ ও চূড়ান্ত পরিশোধ — প্রতি বৎসর ৩০ দিনের মজুরি বা গ্র্যাচুইটি (যেটি বেশি) পরিশোধ করুন; পুনর্নিয়োগে ছাঁটাইকৃত শ্রমিক অগ্রাধিকার পান (ধারা ২১)।
ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ
শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ২০ অনুযায়ী ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ হলো প্রতি বৎসর চাকরির জন্য ৩০ দিনের মজুরি, অথবা প্রদেয় হলে গ্র্যাচুইটি — যেটি বেশি। শ্রমিকের কমপক্ষে এক বছরের একটানা চাকরি থাকতে হবে। চুক্তি বা সিবিএ এর বেশি দিতে পারে।
| প্রতি পূর্ণ বৎসর চাকরি | ৩০ দিনের মজুরি (অথবা গ্র্যাচুইটি, যেটি বেশি) |
কমপক্ষে ১ বছরের একটানা চাকরি প্রয়োজন। লে-অফের পরে ছাঁটাই হলে অতিরিক্ত ১৫ দিনের মজুরি প্রযোজ্য (ধারা ১৬(৭))।
নোটিশ
| সকল ছাঁটাইযোগ্য শ্রমিক | ১ মাসের লিখিত নোটিশ (অথবা এক মাসের মজুরি), প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে অনুলিপি |
ধারা ২০। নোটিশের পরিবর্তে এক মাসের মজুরি দেওয়া যায়। প্রধান পরিদর্শক ও যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে (সিবিএ) অনুলিপি পাঠানো বাধ্যতামূলক।
পরিধি ও শ্রম আদালত
২০ বা তার বেশি শ্রমিক নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ধারা ২০ প্রযোজ্য। ভারতের অধ্যায় ৫-খ-এর মতো কোনো পূর্বানুমোদন লাগে না — শুধু প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে নোটিশের অনুলিপি পাঠাতে হয়। ছাঁটাই বাস্তব না হলে বা অসৎ উদ্দেশ্যে হলে তা শ্রম আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়। পুনর্নিয়োগের সময় ছাঁটাইকৃত শ্রমিক অগ্রাধিকার পান (ধারা ২১)।
সাধারণ প্রশ্ন
কত ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
প্রতি পূর্ণ বৎসর চাকরির জন্য ৩০ দিনের মজুরি, অথবা প্রদেয় হলে গ্র্যাচুইটি — যেটি বেশি (ধারা ২০)। শ্রমিকের কমপক্ষে এক বছরের একটানা চাকরি থাকতে হবে।
কাকে নোটিশ দিতে হবে?
শ্রমিককে ১ মাসের লিখিত নোটিশ (অথবা এক মাসের মজুরি), এবং প্রধান পরিদর্শক ও যৌথ দর কষাকষি প্রতিনিধিকে (সিবিএ) অনুলিপি — এটি বাধ্যতামূলক।
কীভাবে নির্বাচন করব?
প্রতিটি শ্রেণিতে শেষে নিযুক্ত শ্রমিককে প্রথমে (LIFO, ধারা ২০(৪)), যদি না ভিন্নতার বৈধ কারণ লিপিবদ্ধ থাকে। পুনর্নিয়োগে ছাঁটাইকৃত শ্রমিক অগ্রাধিকার পান (ধারা ২১)।
পূর্বানুমোদন লাগে কি?
না। ভারতের অধ্যায় ৫-খ-এর বিপরীতে বাংলাদেশে সরকারের পূর্বানুমোদন লাগে না — শুধু প্রধান পরিদর্শক ও সিবিএ-কে নোটিশের অনুলিপি পাঠাতে হয়।
Reference: বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২০, ১৬(৭), ২১; bdlaws.minlaw.gov.bd. General information for employers, not legal advice.